Site icon নারায়ণগঞ্জ জিলাইভ | truth alone triumphs

রূপগঞ্জে কারখানায় চুল্লি বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

রূপগঞ্জে কারখানায় চুল্লি বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫,নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টিল কারখানায় লোহা গলানোর সময় চুল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আরও একজন শ্রমিক মারা গেছেন। এ নিয়ে এই ঘটনায় পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু হলো।সর্বশেষ মারা যাওয়া শ্রমিকের নাম গোলাম রব্বানি (৩৫)। রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইয়ুব হোসেন।

 

রূপগঞ্জে কারখানায় চুল্লি বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫-1

 

রূপগঞ্জে কারখানায় চুল্লি বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

এস এম আইয়ুব হোসেন বলেন, আগুনে গোলাম রব্বানির শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা এলাকার রহিমা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কারখানায় চুল্লি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার পর দগ্ধ শ্রমিকদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে

ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে আনার পর শঙ্কর (৪০) নামের এক শ্রমিক মারা যান।ইনস্টিটিউট ও পুলিশ সূত্র জানায়, ইলিয়াস আলী (৩৫) নামের এক শ্রমিক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মো. নিয়ন (২০) নামের আরেক শ্রমিক মারা যান শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায়। একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মারা যান আলমগীর হোসেন (৩৩) নামের

আরেক শ্রমিক।শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, ইলিয়াসের শরীরের ৯৮ শতাংশ, নিয়নের ৯৭ শতাংশ ও আলমগীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।এখন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন তিন দগ্ধ শ্রমিক। তাঁরা হলেন জুয়েল (২৫), রাব্বি (৩৫) ও ইব্রাহিম (৩৫)।ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইয়ুব

হোসেন জানান, রাব্বির শরীরের ৯৮ শতাংশ, জুয়েলের ৯৫ শতাংশ ও ইব্রাহিমের ২৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কারখানাটি এখনো নির্মাণাধীন। পরীক্ষামূলকভাবে লোহা গলানোর কাজ করা হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর গলিত উত্তপ্ত লোহা শ্রমিকদের শরীরে পড়ে।

আড়াইহাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শহীদ আলম জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কোনো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র দেখতে পাননি তাঁরা। শ্রমিকদের যে ধরনের নিরাপত্তার সরঞ্জাম ব্যবহার করার কথা, সেগুলো ব্যবহার করা হয়নি বলে কারখানা সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন।

 

Exit mobile version