আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নারায়ণগঞ্জ জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত, নারায়ণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-
নারায়ণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি জেলা। নারায়ণগঞ্জ শহরে এ জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর অবস্থিত। অত্যন্ত প্রাচীন এবং প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও এ জেলার অন্তর্গত। নারায়ণগঞ্জ সোনালী আঁঁশ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর একটি বিখ্যাত নদীবন্দর। ৬৮৩.১৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ জেলাটি ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে ছোট জেলা। রাজধানী ঢাকার সাথে এ জেলার সীমানা রয়েছে।
পানাম নগর – নারায়ণগঞ্জ জেলা
নারায়ণগঞ্জ জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত:-
নারায়ণগঞ্জ সোনালী আঁশের জন্য বিখ্যাত । নারায়ণগঞ্জ জেলার কিছু দর্শনীয় স্থান নিম্নে দেওয়া হলো-
প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ, বারদী
বারদী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দির
লাঙ্গলবন্দ স্নান ঘাট (পুন্য স্নানের জন্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুন্য তীর্থ -স্নান )
লাঙ্গলবন্দ প্রাচীন মন্দির
সাব্দী কালী মন্দির
সাব্দী মঠ
রাজা লক্ষী নারায়ণ মন্দির (১১৭৩)
লক্ষী নারায়ণ পুষ্কুরিনি
লক্ষী নারায়ণ কটন মিল
সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৯৩-১৪১১)
কাজী সিরাজউদ্দিনের সমাধি (১৩৯৩-১৪১১)
পাঁচ পীরের সমাধি
জয়বাবা লোকনাথ মন্দির (১৪০১)
বন্দর শাহী মসজিদ (১৪৮১)
বন্দর শাহী মসজিদ পুষ্কুরিনি বা “গায়েবানা পুকুর’ (১৪৮১)
সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪)
কাইকারটেক হাট
লর্ড ইংরেজ সাহেবের বাংলো (ধ্বংসাবশেষ )
বাবা সালেহর মসজিদ (১৫০৫)
বাবা সালেহর সমাধি (১৫০৬)
গোয়ালদি মসজিদ (১৫১৯)
কদম রসুল দরগাহ (১৫৮০)
কদম রসূল সুলতানি মসজিদ (১৫৮০)
কাঠ গোলাপ স্থান
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বা “সড়ক ই আজম “
সোনাকান্দা হাট
সোনাকান্দা দুর্গ (১৬৬০)
ত্রিবেণী ঈশা খান পরিখা (সোনারগাঁও থেকে সোনাকান্দা) (১৬৬০)
মন্তব্য